
oplus_0

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)’র উচ্চ ফলনশীল, রপ্তানিযোগ্য নতুন জাতের আলুর সম্প্রসারণ এবং বীজ আলু ও রপ্তানি আলু উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিপনন ও রপ্তানি কলাকৌশল শীর্ষক অংশীজন প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত। রোববার মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার টরকীর ব্লকে এ প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়। উপপরিচালক (টিসি), বিএডিসি হিমাগার, টংগিবাড়ী, মুন্সীগঞ্জ উক্ত প্রশিক্ষনের আয়োজন করে।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএডিসি’র মহাব্যবস্থাপক (বীজ) মোঃ আবীর হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএডিসি অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক (বীজ বিতরণ) মোঃ সেলিম হায়দার, মুন্সীগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপপরিচালক বিপ্লব কুমার মোহন্ত, মুন্সীগঞ্জ জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন। সভাপতিত্ব করেন বিএডিসি ঢাকা অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক (আলু বীজ বিভাগ) আবুল খায়ের মোঃ নুরুল ইসলাম।
উক্ত অনুষ্ঠানে স্বগত বক্তব্য রাখেন ইন্দ্রজিত শীল। মাসসম্পন্ন বীজ আলু উৎপাদন ও সংরক্ষণ এবং কৃষক পর্যায়ে বিতরণ জোরদারকরণ প্রকল্প এর অর্থায়ন করে। মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার টরকীর চর মৌজায় ১০জাতের আলুর পরীক্ষামুলক চাষ করা হয়। অতিথিরা মাঠপর্যায়ে এ বীজ আলু চাষ পর্যবেক্ষন করেন ও কৃষকদের সরাসরি তা দেখানো হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ আবীর হোসেন বলেন, বিএডিসি’র মাধ্যমে যে বীজ পরীক্ষামুলকভাবে সংগ্রহ করা হচ্ছে সে বীজ যদি কৃষক গ্রহণ করেন তারা অবশ্যই লাভবান হবেন। এছাড়া আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নতুন জাতের বীজ উদ্ভাবন করা এবং সে বীজ মানসম্মতভাবে কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া। যাতে করে কৃষক অন্য দেশের বীজের উপরে নির্ভরশীল না হন ও এ বীজ দিয়ে চাষাবাদ করে লাভবান হন। উত্তরাঞ্চলের অধিকাংশ কৃষকই বিএডিসির বীজ ব্যবহার করে চাষাবাদ করছেন। যার ফলে তারা লাভবানও হচ্ছেন। তাই মুন্সীগঞ্জের কৃষকরাও এ বীজ ব্যবহার করবে বলে আশা রাখি।