|

মুন্সীগঞ্জের সোলারচরে ফসলি জমি কেটে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ, ক্ষোভে কৃষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার সোলারচর গ্রামে একটি ব্যক্তিগত বাড়িতে যাতায়াতের জন্য ভেকু (খননযন্ত্র) দিয়ে ফসলি জমি কেটে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোলারচর গ্রামের সুপার মিজির বাড়িতে যাওয়ার জন্য নতুন রাস্তা নির্মাণের কাজ চলছে। তবে রাস্তা নির্মাণের জন্য একাধিক কৃষকের আবাদি জমি কেটে ফেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী মো. ফারুক দেওয়ানসহ কয়েকজন কৃষক দাবি করেন, তারা বারবার আপত্তি জানালেও কাজ বন্ধ করা হয়নি।
ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, প্রায় ১০ থেকে ২০ জন কৃষকের ফসলি জমির ওপর দিয়ে ব্যক্তিগত রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে তাদের জমির ফসল নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি জমি দখলেরও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা আরও বলেন, জমি ব্যবহারের বিষয়ে তাদের কোনো সম্মতি নেওয়া হয়নি এবং এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয়নি।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীরা জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী এবং মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, আবেদন করার পরও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন, “রাস্তা নির্মাণের নামে আমাদের আবাদি জমি কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আমরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ব।”
এদিকে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ না হলে যে কোনো সময় বিরোধ আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুপার মিজির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাসুদুর রহমান জানান, এ বিষয়ে সদর এসিল্যান্ডকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারজানা আক্তার জানান, কাজ বন্ধ করা হয়েছে। আর এদের সমস্যা রাস্তা নিয়ে, মাটি নিয়ে না। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কে অবহিত করা হয়েছে। বিষয়টি দেখার জন্য।

Spread the love

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *