

ডেস্ক রিপোর্ট: “তৌহিদুলকে খুন”স্বৈরাচারের ৫৭২ দোসর জামিনে মুক্ত কেন? আমজনতার দলের শীর্ষক বিক্ষোভ কর্মসূচি করে ০২/০২/২০২৫ তারিখ রবিবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে। রক্ত কর্মসূচিতে ফয়সাল আহমেদ রূপক এর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত মিয়া মশিউজ্জামান (আহবায়ক আমজনতার দল) তিনি বলেন ;শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ তৈরি স্বৈরাচারের পিলার প্রশাসন এবং সরকারের মধ্যে যা রেখে গেছে তা না অপসারণ করে। এই সরকার কুমিল্লায় তৌহিদুল খুনের মেডেল নিজের গলায় নিয়েছে। যদি সরকার আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পিলার প্রশাসন থেকে সরাতে না পারলে আগামী তিন মাসের মধ্যে বাকি সকল অপকর্মের মেডেল এই সরকার পাবে।
তারেক রহমান (সদস্য সচিব আমজনতার দল) বলেন ; আওয়ামীলীগের সাথে আঁতাত করে ৫৭২ জনকে জামিন দিয়েছে সরকার। ছাত্র থেকে যারা উপদেষ্টা আছে তাদের জবাব দিতে হবে কেন তারা এটার বিরুদ্ধে কথা বলে নাই, কেন তারা ক্ষমতা থাকা শর্তেও স্বৈরাচারের দোসরদের জামিন রোধ করে নাই।
চট্রগ্রামে সরকারি কর্মচারী আওয়ামী লীগের লিফলেট বিতরণ করছে, সরকার কোন ব্যাবস্থা নিল না কেন। এই সরকার কি করতে চায় জনগন তা জানে না, বিশ্বাস করে না।
আরিফ বিল্লাহ (দপ্তর সমন্বয়ক আমজনতার দল) তার বক্তব্যে বলেন; সরকারি চাকরি করে এমন ব্যক্তি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আওয়ামী লীগের লিফলেট বিতরণ করতে দেখা গেছে। কারণ গণহত্যায় অভিযুক্ত আওয়ামী দোসরদেরকে জামিনে মুক্তি ও প্রশাসনে ১০ লাখ ৪৬ হাজার ৯ শত ২৬ জন আওয়ামী লীগের নিয়োগপ্রাপ্ত দোসররা বসে আছে। তাদের অপসারণ না করলে দেশে আরেকটি বিশৃঙ্খল পরিবেশ আওয়ামী লীগ ঘটাতে পারে।
ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং শাক বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা যেমন প্রশাসনকে অপব্যবহার করেছে তেমনি এই সরকার করছে। সকল বিপ্লবীদের বিতর্কিত করতে একটি মহল সুপরিকল্পিতভাবে নৃশংস চালিয়ে যাচ্ছে। যে খুন করেছে সে অপরাধী সে যেই হোক। খুনিদের বহাল তবিয়তে রেখে বাংলার গর্বিত সেনাবাহিনীর মান ক্ষুন্ন হচ্ছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
উক্ত কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেছেন, সোহেল আমিন, কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন, ডাক্তার এনামুল হক সবুজ, তরিকুল ইসলাম, মুজাহিদ ইব্রাহিম, মোজাম্মেল মিয়াজী প্রমুখ।