গায়েবি মামলা থেকে মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদল নেতা ইসমাইল বেপারী (মিদুল) খালাস
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: বিগত ফ্যাসিস্ট, মাফিয়া আওয়ামীলীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন-পীড়নের লক্ষ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৪৭টি গায়েবি মামলা পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার ও খালাসের আদেশ দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক ইসমাইল বেপারী (মিদুল) চারটি গায়েবি মামলা থেকে আদালতের মাধ্যমে খালাস লাভ করেছেন।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, এসব মামলায় ইসমাইল বেপারীর (মিদুল) বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা সাক্ষ্য-প্রমাণ না থাকায় আদালত তাকে নির্দোষ ঘোষণা করে খালাস দেন। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এসব মামলায় হয়রানির শিকার হয়ে দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা মামলার ভার বইতে হয়েছে মিদুলসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের।
এ প্রসঙ্গে জেলা বিএনপি এক বিবৃতিতে জানায়, “আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে রাজনৈতিক বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে হাজার হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দায়ের করা হয়। আমরা আদালতের এই নিরপেক্ষ রায়কে স্বাগত জানাই এবং বাকি সকল গায়েবি মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানাই।”
খালাসপ্রাপ্ত ইসমাইল বেপারী (মিদুল) বলেন, “আমি আইনের প্রতি আস্থা রেখেছিলাম। আজ প্রমাণিত হয়েছে, আমার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল। এখন আমি নতুন উদ্যমে দলীয় কার্যক্রমে যুক্ত থাকবো।”
উল্লেখ্য, মুন্সীগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও হয়রানির উদ্দেশ্যে গায়েবি মামলা দায়ের করা হয়, যার অধিকাংশই বর্তমানে প্রত্যাহারের প্রক্রিয়াধীন।
জনগণ আশাবাদী, দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আইনের শাসন ও রাজনৈতিক মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপব্যবহার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
