মুন্সীগঞ্জে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর গলায় শিক্ষকের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত।

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে গলায় উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পশ্চিম সোনারং গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ মোঃ লোকমান হোসেন পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ মোঃ লোকমান হোসেন বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় তার মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মাজেদুল ইসলামকে উপজেলার পশ্চিম সোনারং এলাকায় জনৈক বারেক মিয়ার বাড়ির পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে জোর পূর্বক বলাৎকারের চেষ্টা করে। এ সময় শিক্ষার্থী আপত্তি জানালে মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ মোঃ লোকমান হোসেন ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিক্ষার্থীর গলায় ও হাতে উপুর্যুপরি আঘাত করে। এতে শিক্ষার্থীর ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামিম জানান, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমেছে পুলিশ।
অভিযুক্ত হাফেজ মোঃ লোকমান হোসেন ভোলা জেলার চর-ফ্যাশন এলাকার ইসলাম আলীর ছেলে। সে টঙ্গীবাড়ী সোনারং পুরাতন জামে মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি টঙ্গীবাড়ী খিলপাড়া সুন্নাতুল মদিনা মাদ্রাসায় অস্থায়ী ভাবে খন্ডকালীন শিক্ষকতা করেন।
